ভারতের শিক্ষার অগ্রদূত রাজা রামমোহন – উক্তিটি ব্যাখ্যা করো

সমাজ, ধর্ম ইত্যাদি ক্ষেত্রে যেমন রাজা রামমোহন রায় সংস্কার করেছেন, তেমনই শিক্ষা ও সংস্কৃতির আন্দোলনের ক্ষেত্রেও তিনি ছিলেন অগ্রদূত।
(1) রাজা রামমোহন প্রাচ্য এবং পাশ্চাত্যের যা কিছু ভালো, তাকেই গ্রহণ করার কথা বলেছেন। তিনি ভারতীয় কৃষ্টি, সংস্কৃতির সঙ্গে পাশ্চাত্যের বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা গ্রহণের কথা বলেছেন। উভয় শিক্ষার মেলবন্ধন ঘটিয়ে সমাজ উন্নয়নের কথা বলেছেন।
(2) রামমোহন বুঝেছিলেন ভারতে ইংরেজি সাহিত্যের বিশেষ প্রয়োজনের কথা। ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্যে জ্ঞানার্জনের ফলে বিশ্ব সাহিত্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হবে, এর ফলে দেশ এগিয়ে যাবে।
(3) তিনি ভারতীয় উপনিষদগুলি অনুবাদ করে, পত্রিকা প্রকাশনা ও বক্তৃতা, আলোচনা সভা আয়োজনের মাধ্যমে ইংল্যান্ডে শিক্ষিত ব্যক্তিদের কাছে ভারত সম্বন্ধে মিথ্যা ধারণা দূর করার চেষ্টা করেন।
(4) রামমোহন এদেশে ইংরেজি শিক্ষার জন্য “ইঙ্গ-বৈদিক-স্কুল” প্রতিষ্ঠা করেন। এই বিদ্যালয়ে যন্ত্রবিজ্ঞান, জ্যোতির্বিজ্ঞান ইত্যাদি শিক্ষা দেওয়া হত।
(5) জনশিক্ষা (Mass Education) প্রসার ছাড়া ভারতবাসীকে শিক্ষিত করা সম্ভব নয়। তাই তিনি জনশিক্ষা প্রসারের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন। তাই শিক্ষাক্ষেত্রে রামমোহনের জীবনাদর্শকে আজও আমরা শ্রদ্ধা করি।
(6) রামমোহন বিভিন্ন বই রচনার মধ্য দিয়ে গদ্য সাহিত্য ও গদ্য ভাষাকে এক অন্য মাত্রায় নিয়ে গেছেন। ঊনবিংশ শতকের ভারতীয় সমাজকে রাজা রামমোহন রায় যুক্তি ও দর্শনের সাহায্যে শিক্ষাক্ষেত্রে নতুন আলোর দিশা দেখান। তিনি ভারতবাসীকে শিক্ষা-দীক্ষার দিক থেকে বিশ্বের দরবারে প্রতিষ্ঠিত করতে প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের মিলন ঘটিয়েছেন, যা আজও আমাদের হৃদয়ে বর্তমান।
আরও পড়ুন – মধ্যযুগীয় ভারতের শিক্ষা প্রশ্ন উত্তর
📚 একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির স্টুডেন্টদের জন্য দারুণ সুযোগ!
আপনি কি কম সময়ে ভালোভাবে পড়াশোনা শেষ করতে চান?
পরীক্ষার আগে রিভিশন করতে সমস্যা হচ্ছে?
👉 তাহলে এখনই নিয়ে নিন আমাদের Complete PDF eBook Package
✨ এই eBook-এ যা পাচ্ছেন:
✔ সহজ ভাষায় পুরো সিলেবাস
✔ গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর
✔ পরীক্ষার জন্য সাজানো নোটস
✔ শর্ট টেকনিক ও সাজেশন
🎯 কার জন্য উপযোগী?
👉 একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির সকল ছাত্র-ছাত্রী
👉 বোর্ড পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন যারা
💡 মোবাইলেই পড়ুন, যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গায়!
🔥 মাত্র ২৫ টাকা প্রতিটা সাবজেক্ট