বাংলা শিক্ষার বিস্তার বিষয়ে বিদ্যাসাগরের অভিমত কী ছিল? সংস্কৃত কলেজে অধ্যক্ষের দায়িত্ব নিয়ে বিদ্যাসাগর মহাশয় কী কী সংস্কার করেছিলেন

বিদ্যাসাগর মহাশয় বলেন, “বাংলা শিক্ষার বিস্তার ও সুব্যবস্থা একান্ত প্রয়োজনীয়, তা না হলে দেশের জনসাধারণের কল্যাণ হবে না। কেবল লিখন, পঠন ও গণনা বা সরল অঙ্ক কষার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। যতদূর সম্ভব বাংলা ভাষাতেই সম্পূর্ণ শিক্ষা দিতে হবে।” আর তার জন্য বিদ্যাসাগর এই অভিমত পোষণ করেন যে, ভূগোল, ইতিহাস, জীবনচরিত, পাটিগণিত, জ্যামিতি, পদার্থবিদ্যা, নীতিবিজ্ঞান, শারীরবিজ্ঞান বাংলায় শিক্ষা দেওয়া প্রয়োজন।
সংস্কৃত কলেজে সংস্কারমূলক কাজ
সংস্কৃত কলেজের অধ্যক্ষের দায়িত্বভার নিয়ে বিদ্যাসাগর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারসাধন করেন। 9 জুলাই, পূর্বতন রীতি বদলে ব্রাহ্মণ ও বৈশ্য ছাড়াও কায়স্থদের সংস্কৃত কলেজে অধ্যয়নের সুযোগ করে দেন। 26 জুলাই প্রবর্তিত হয় রবিবারের সাপ্তাহিক ছুটির প্রথা। উল্লেখ্য এর আগে প্রতি অষ্টমী ও প্রতিপদ তিথিতে ছুটি থাকত। ডিসেম্বর মাসে সংস্কৃত কলেজকে সকল বর্ণের সম্ভ্রান্ত হিন্দু সন্তানদের জন্য উন্মুক্ত করে দেন।
আরও পড়ুন – মধ্যযুগীয় ভারতের শিক্ষা প্রশ্ন উত্তর
📚 একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির স্টুডেন্টদের জন্য দারুণ সুযোগ!
আপনি কি কম সময়ে ভালোভাবে পড়াশোনা শেষ করতে চান?
পরীক্ষার আগে রিভিশন করতে সমস্যা হচ্ছে?
👉 তাহলে এখনই নিয়ে নিন আমাদের Complete PDF eBook Package
✨ এই eBook-এ যা পাচ্ছেন:
✔ সহজ ভাষায় পুরো সিলেবাস
✔ গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর
✔ পরীক্ষার জন্য সাজানো নোটস
✔ শর্ট টেকনিক ও সাজেশন
🎯 কার জন্য উপযোগী?
👉 একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির সকল ছাত্র-ছাত্রী
👉 বোর্ড পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন যারা
💡 মোবাইলেই পড়ুন, যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গায়!
🔥 মাত্র ২৫ টাকা প্রতিটা সাবজেক্ট