আইনগত গণতন্ত্র বলতে কী বোঝো

আইনগত গণতন্ত্র বলতে কী বোঝো? আইনগত গণতন্ত্র: আইনগত গণতন্ত্রের মূল কথা হল সংখ্যাগরিষ্ঠের শাসন, নাগরিকদের আর্থিক ও রাজনৈতিক স্বাধীনতা সবকিছুই প্রতিষ্ঠিত হবে আইনের শাসনের মাধ্যমে। উদারনীতির ভিত্তিতে কার্যকরী রাজনৈতিক নেতৃত্ব আমলাতান্ত্রিকতা রোধ এবং সমষ্টিতান্ত্রিকতার বিপদ থেকে নাগরিকদের রক্ষা করাই হল এই ব্যবস্থার প্রধান শর্ত। আইনগত গণতন্ত্রের প্রবক্তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন রবার্ট নজিক ও হায়েক।

বহুত্ববাদী গণতন্ত্র বলতে কী বোঝো

বহুত্ববাদী গণতন্ত্র বলতে কী বোঝো? বহুত্ববাদী গণতন্ত্র: সংখ্যালঘুর স্বাধীনতা ও শাসন, প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন, বাধা ভারসাম্যের নীতি, স্বার্থগোষ্ঠীর প্রভাব ইত্যাদি বহুত্ববাদী গণতন্ত্রের মূল বিষয়। ম্যাডিসন, ট্রুম্যান, রবার্ট ডাল এই মডেলের মুখ্য প্রচারক ছিলেন।

অংশগ্রহণমূলক গণতন্ত্র কাকে বলে

অংশগ্রহণমূলক গণতন্ত্র কাকে বলে? অংশগ্রহণমূলক গণতন্ত্র: অংশগ্রহণমূলক গণতন্ত্র হল এমন এক ধরণের শাসনপ্রণালী, যেখানে রাষ্ট্রের কার্যকলাপে জনগণের অংশগ্রহণের বিষয়টিই হল মুখ্য বিষয়। এই গণতন্ত্র প্রথম প্রাচীন গ্রিক নগররাষ্ট্রে আত্মপ্রকাশ করলেও অষ্টাদশ শতকে রুশোর হাত ধরে তা পুনরায় জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

পরোক্ষ বা প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্র বলতে কী বোঝো

পরোক্ষ বা প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্র বলতে কী বোঝো? সমাজতান্ত্রিক গণতন্ত্রের উদ্ভব হয় কোথায়? পরোক্ষ গণতন্ত্র: পরোক্ষ বা প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্র বলতে এমন এক শাসনব্যবস্থাকে বোঝায়, যে শাসনব্যবস্থায় জনগণ প্রত্যক্ষভাবে আইন প্রণয়নে ও নীতি নির্ধারণে অংশগ্রহণ করতে না পারলেও তাদের দ্বারা নির্বাচিত প্রতিনিধিগণই আইন প্রণয়ন ও শাসনকার্য পরিচালনায় অংশগ্রহণ করে। সমাজতান্ত্রিক গণতন্ত্রের উদ্ভব হয় গণসাধারণতন্ত্রী চিনে।

প্রত্যক্ষ গণতন্ত্রের বিলুপ্তির যে-কোনো দুটি কারণ লেখো

প্রত্যক্ষ গণতন্ত্রের বিলুপ্তির যে-কোনো দুটি কারণ লেখো। রাষ্ট্রের আয়তন ও জনসংখ্যা বৃদ্ধি: বর্তমানে রাষ্ট্রগুলির আয়তন বৃদ্ধির পাশাপাশি জনসংখ্যাও বিপুল পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র প্রয়োগের পথে অন্তরায় সৃষ্টি করেছে। রাজনৈতিক ক্ষেত্রে জটিলতা বৃদ্ধি: এ ছাড়া বর্তমান যুগের সমস্যাগুলির পরিমাণ সংখ্যাগত দিক থেকে যেমন অনেকটাই বেশি, তেমনই প্রকৃতিগত দিক থেকেও অপেক্ষাকৃত জটিল। আর সেকারণেই জনসাধারণের’ … Read more

প্রত্যক্ষ গণতন্ত্রের দুটি অসুবিধা বা দোষ উল্লেখ করো

প্রত্যক্ষ গণতন্ত্রের দুটি অসুবিধা বা দোষ উল্লেখ করো। প্রত্যক্ষ গণতন্ত্রের দুটি অসুবিধা বা দোষ হল ① মুষ্টিমেয়র শাসন: প্রত্যক্ষ গণতন্ত্রে সমস্ত নাগরিকদের মধ্যে রাজনৈতিক সচেতনতা লক্ষ করা যায় না বলেই তারা রাষ্ট্রপরিচালনার কাজে যুক্ত হতে পারে না। এক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ গণতন্ত্রে মুষ্টিমেয় লোকই শাসনকার্য পরিচালনা করে এবং তাদের নিজেদের স্বার্থে শাসনব্যবস্থা পরিচালনার প্রবণতা লক্ষ করা যায়। … Read more

প্রত্যক্ষ গণতন্ত্রের দুটি সুবিধা লেখো

প্রত্যক্ষ গণতন্ত্রের দুটি সুবিধা লেখো। উত্তর প্রত্যক্ষ গণতন্ত্রের দুটি সুবিধা হল- বিশুদ্ধ বা প্রকৃত গণতন্ত্র: ‘জনগণের শাসন’-কেই যদি গণতন্ত্রের আক্ষরিক অর্থ হিসেবে ধরে নেওয়া হয়, তবে প্রত্যক্ষ গণতন্ত্রই হল প্রকৃত গণতন্ত্র-এমনটাই অনেকে মনে করেন। কারণ নির্বাচিত প্রতিনিধির পরিবর্তে জনসাধারণ এখানে প্রত্যক্ষভাবে সরকার পরিচালনার যাবতীয় কার্যাদিতে অংশগ্রহণ করতে পারে। রাজনৈতিক সচেতনতা ও স্বদেশপ্রীতির উন্মেষ: এরূপ গণতন্ত্রে … Read more

আধুনিককালে পরোক্ষ গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় প্রত্যক্ষ গণতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রনের প্রয়োজনীয়তা আলোচনা করো

আধুনিককালে পরোক্ষ গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় প্রত্যক্ষ গণতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রনের প্রয়োজনীয়তা আলোচনা করো পরোক্ষ গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় প্রত্যক্ষ গণতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণ : পরোক্ষ বা প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রে জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা জনগণের স্বার্থের অনকূলে জনকল্যাণমূলক কাজে নিজেদের আত্মনিয়োগ করবেন এমনটাই প্রত্যাশিত। কিন্তু নির্বাচনে জয়লাভ করে ক্ষমতাসীন হওয়ার পরে তাঁরা পূর্ব প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী জনগণের স্বার্থের অনুকূলে কাজ না করে, সংকীর্ণ দলীয় স্বার্থ বা … Read more

ইতিহাসচর্চায় মানবতাবাদী দৃষ্টিভঙ্গির পরিচয় দাও

ইতিহাসচর্চায় মানবতাবাদী দৃষ্টিভঙ্গির পরিচয় দাও ইতিহাসচর্চায় মানবতাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি মানবতাবাদ ছিল ইউরোপীয় রেনেসাঁ চিন্তাধারার এক অন্যতম অঙ্গ। ইতিহাসচর্চায় এই মানবতাবাদের প্রভাব ছিল যথেষ্ট। মানবতাবাদীরা এই সময় অতীতকে কয়েকটি সুনির্দিষ্ট যুগ বা পর্যায়ে ভাগ করে আধুনিক ইতিহাসচর্চার প্রথা ও নীতির উদ্ভাবন করেছিলেন। (1) অন্ধকার যুগের ধারণা: মানবতাবাদী ঐতিহাসিকদের মতে, প্রাচীন যুগ ছিল ধ্রুপদি এবং সুবর্ণময় পর্ব। কিন্তু … Read more

রাষ্ট্রবিজ্ঞানী কার্ল পপার গণতন্ত্র বলতে কী বুঝিয়েছেন

রাষ্ট্রবিজ্ঞানী কার্ল পপার গণতন্ত্র বলতে কী বুঝিয়েছেন? কার্ল পপার অভিমত: কার্ল পপার সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের শাসনকে গণতন্ত্র বলে মেনে নিতে চাননি। তিনি মনে করতেন গণতন্ত্র হল এমন কতকগুলি প্রতিষ্ঠানের সমষ্টি, যার মাধ্যমে জনগণ শাসকশ্রেণিকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং প্রয়োজনানুসারে ক্ষমতাচ্যুত করতে পারে।