বৈদিক শিক্ষাব্যবস্থার যে-কোনো দুটি অনুষ্ঠান ও তার গুরুত্ব লেখো

বৈদিক শিক্ষাব্যবস্থার যে-কোনো দুটি অনুষ্ঠান ও তার গুরুত্ব লেখো

বৈদিক শিক্ষাব্যবস্থার যে-কোনো দুটি অনুষ্ঠান ও তার গুরুত্ব লেখো বৈদিক শিক্ষাব্যবস্থার দুটি প্রধান অনুষ্ঠান হল- উপনয়ন এবং  সমাবর্তন। উপনয়ন প্রাচীন ভারতীয় শিক্ষাব্যবস্থায় শিশুর প্রাথমিক শিক্ষা পাঁচ বছর বয়সে একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শুরু হত। এই অনুষ্ঠানটি ‘বিদ্যারম্ভ’, ‘চৌল কর্ম’, ‘অক্ষর স্বীকরণ’ ইত্যাদি নামে পরিচিত। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শিশু গৃহপরিবেশে শিক্ষাগ্রহণ করতে পারত। পরিবারের মধ্যে … Read more

সমাবর্তন বলতে কী বোঝো? বৈদিক শিক্ষাব্যবস্থার লক্ষ্যগুলি লেখো

সমাবর্তন বলতে কী বোঝো? বৈদিক শিক্ষাব্যবস্থার লক্ষ্যগুলি লেখো

সমাবর্তন বলতে কী বোঝো? বৈদিক শিক্ষাব্যবস্থার লক্ষ্যগুলি লেখো সমাবর্তন বৈদিক শিক্ষাব্যবস্থায় সমাবর্তন উৎসবের মধ্যে দিয়ে শিক্ষার সমাপ্তি ঘোষণা করা হত। সমাবর্তন উৎসবের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা স্নাতক হিসেবে পরিগণিত হতেন। স্নাতক ও ধরনের-  বিদ্যাস্নাতক, ব্রতস্নাতক, বিদ্যাব্রত স্নাতক। এই তিন ধরনের উপাধি দিয়ে শিক্ষার্থীদের সমাবর্তন উপাধির সমাপ্তি ঘোষণা করা হত। বৈদিক শিক্ষাব্যবস্থার লক্ষ্যসমূহ এই শিক্ষার লক্ষ্যের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত … Read more

বৈদিক পরবর্তী যুগ বা উপনিষদের যুগের শিক্ষার বৈশিষ্ট্যগুলি লেখো

বৈদিক পরবর্তী যুগ বা উপনিষদের যুগের শিক্ষার বৈশিষ্ট্যগুলি লেখো

বৈদিক পরবর্তী যুগ বা উপনিষদের যুগের শিক্ষার বৈশিষ্ট্যগুলি লেখো বৈদিক পরবর্তী যুগ হল খ্রিস্টপূর্ব 1100 – খ্রিস্টপূর্ব 500 বছর পর্যন্ত। অর্থাৎ, ঋগ্বেদের সমাপ্তিকালীন সময় থেকে বৌদ্ধ ও জৈন যুগের সূচনাকাল পর্যন্ত সময়। বৈদিক যুগের কঠোর আত্মসংযম এবং আত্মত্যাগ এখানে বিশেষভাবে গুরুত্বলাভ করেছিল। পরবর্তী বৈদিক যুগের শিক্ষার বৈশিষ্ট্যসমূহ (1)  শিক্ষার লক্ষ্য: সাধারণ লক্ষ্য ছিল মোক্ষ (মুক্তি) … Read more

প্রাচীন ভারতের শিক্ষা সম্পর্কে আলোচনা করো

প্রাচীন ভারতের শিক্ষা সম্পর্কে আলোচনা করো

প্রাচীন ভারতের শিক্ষা সম্পর্কে আলোচনা করো অথবা, বেদের কয়টি অংশ ও কী কী? বৈদিক শিক্ষার বৈশিষ্ট্যগুলি সংক্ষেপে বর্ণনা করো বেদের চারটি অংশ রয়েছে। যথা- সংহিতা, ব্রাহ্মণ, আরণ্যক, উপনিষদ। বৈদিক শিক্ষার বৈশিষ্ট্য প্রাচীন ভারতের শিক্ষা ছিল ধর্মভিত্তিক। শিক্ষাকে সত্য উপলব্ধির উপায় হিসেবে বিবেচনা করা হত। আর্য সভ্যতার যুগে প্রবর্তিত এবং আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব 1500 বছর থেকে খ্রিস্টপূর্ব … Read more

প্রাচীন ভারতীয় শিক্ষাব্যবস্থাকে কয় ভাগে ভাগ করা যায় ও কী কী, সংক্ষেপে আলোচনা করো

প্রাচীন ভারতীয় শিক্ষাব্যবস্থাকে কয় ভাগে ভাগ করা যায় ও কী 'কী, সংক্ষেপে আলোচনা করো

প্রাচীন ভারতীয় শিক্ষাব্যবস্থাকে কয় ভাগে ভাগ করা যায় ও কী কী, সংক্ষেপে আলোচনা করো মানবসভ্যতা শিক্ষাব্যবস্থার উপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে। ভারতের শিক্ষা ও সংস্কৃতির ইতিহাস অতি প্রাচীন। পাঞ্জাবের হরপ্পা, সিধু প্রদেশে মহেন-জো-দারো, বেলুচিস্তানের নীল ও সিন্ধু উপত্যকায় প্রাচীনতম সভ্যতার নিদর্শন পাওয়া যায়। এর পরবর্তীতে আর্যসভ্যতা, যা আর্য ও অনার্যদের সমন্বয়নের ফলে জন্মলাভ করে, এটি … Read more

কর্তৃত্ববাদী শাসনব্যবস্থার দুটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো

কর্তৃত্ববাদী শাসনব্যবস্থার দুটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো। কর্তৃত্ববাদী শাসনব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য: কর্তৃত্ববাদী শাসনব্যবস্থার দুটি বৈশিষ্ট্য হল- কেন্দ্রীভূত নেতৃত্ব: বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান বা গোষ্ঠী যেমন আইনসভা, রাজনৈতিক দল বা চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী সরকার কর্তৃক কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত হয় এবং সীমিত রাজনৈতিক স্বাধীনতা ভোগ করে। যাবতীয় রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত শাসক বা শাসকগোষ্ঠীর হাতে কেন্দ্রীভূত থাকে। সীমিত রাজনৈতিক বহুত্ববাদ: কর্তৃত্ববাদে গণতন্ত্রের মতো … Read more

কর্তৃত্ববাদ কাকে বলে

কর্তৃত্ববাদ কাকে বলে? কর্তৃত্ববাদ: কর্তৃত্ববাদ বলতে বোঝায় এমন এক মতাদর্শ, যেখানে ব্যক্তির স্বাধীন চিন্তা ও স্বাধীন কর্মকাণ্ডের পরিবর্তে রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ব বা কর্তৃপক্ষের প্রতি অন্ধ আনুগত্যকে অধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়। চরম ক্ষমতা করায়ত্ত করাই হল কর্তৃত্ববাদের মূল কথা। রাষ্ট্রের চূড়ান্ত কর্তৃত্ব ও ক্ষমতা যখন কোনো বিশেষ ব্যক্তি, কয়েকজন ব্যক্তি, এলিট গোষ্ঠী বা কোনো রাজনৈতিক দলের হস্তে … Read more

একনায়কতন্ত্রের দুটি বৈশিষ্ট্য আলোচনা করো

একনায়কতন্ত্রের দুটি বৈশিষ্ট্য আলোচনা করো। একনায়কতন্ত্রের বৈশিষ্ট্যগুলি হল- স্বৈরাচার ও একচেটিয়া ক্ষমতার প্রয়োগ: একনায়কতন্ত্রে ক্ষমতা একজন ব্যক্তি বা একটি ছোটো গোষ্ঠীর হাতে কেন্দ্রীভূত থাকে এবং রাষ্ট্রযন্ত্রের উপর সে বা তারাই পূর্ণ কর্তৃত্ব বজায় রাখে। এখানে অন্য কোনো রাজনৈতিক গোষ্ঠীর অস্তিত্বকে স্বীকার করা হয় না। একটিমাত্র দলের অস্তিত্ব: একনায়কতন্ত্রে একটিমাত্র দলের অস্তিত্ব রয়েছে, বিরোধী দলের কোনো … Read more

একনায়কতন্ত্র কাকে বলে

একনায়কতন্ত্র কাকে বলে? একনায়কতন্ত্রের ধারণা: উদ্ভবগত দিক থেকে একনায়কতন্ত্র Dictatorship-এর বাংলা প্রতিশব্দ। এটি লাতিন শব্দ Dictatus থেকে উদ্ভুত। Dictatus-এর অর্থ চরম ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি। এই শাসনব্যবস্থার মূল মন্ত্রই হল, “একজাতি, একরাষ্ট্র এবং একনায়ক।” যখন কোনো রাষ্ট্রে একজন ব্যক্তি বা গোষ্ঠী বলপূর্বক রাজনৈতিক ক্ষমতা দখল করে সার্বভৌম ক্ষমতা প্রয়োগ করে, তখন তাকে একনায়কতন্ত্র বলা হয়।

গণতন্ত্রের সাফল্যের দুটি শর্ত উল্লেখ করো

গণতন্ত্রের সাফল্যের দুটি শর্ত উল্লেখ করো। রাষ্ট্রনৈতিক তত্ত্বে সর্বোৎকৃষ্ট আদর্শ শাসনব্যবস্থা হিসেবে গণতন্ত্রের সাফল্যের দুটি শর্ত হল – জাতীয় সংহতি ও ঐক্য: গণতন্ত্রের সাফল্যের জন্য জাতীয় সংহতি ও ঐক্য থাকা প্রয়োজন। মিল-এর মতে, জাতির ভিত্তিতে রাষ্ট্রগঠন গণতন্ত্রের বিকাশের পক্ষে জরুরি। জনগণের মধ্যে জাতীয় ঐক্যবোধ না থাকলে গণতন্ত্র সাফল্যমণ্ডিত হয় না। সামাজিক ঐক্যবোধের জন্য জাতিভেদ প্রথা-সহ … Read more