উদারনৈতিক গণতন্ত্রের বিপক্ষে যুক্তি দাও

উদারনৈতিক গণতন্ত্রের বিপক্ষে যুক্তি দাও। উত্তর উদারনৈতিক গণতন্ত্রের বিপক্ষে যুক্তি: উদারনৈতিক গণতন্ত্রের বিপক্ষে দুটি যুক্তি হল সাম্য, সমানাধিকার, চিন্তা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, ধর্মীয় স্বাধীনতা ইত্যাদি ক্ষেত্রগুলির বাস্তব প্রয়োগ ঘটানো সম্ভব হলেও বাস্তবে যেহেতু অর্থনৈতিক সাম্যকে প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়না, তাই অন্যান্য রাজনৈতিক ও সামাজিক অধিকারগুলি অর্থহীন হয়ে পড়ে। আবার বিভিন্ন রাষ্ট্রবিজ্ঞানীদের মতে, উদার গণতন্ত্র যেহেতু … Read more

উদারনৈতিক গণতন্ত্র কয় ভাগে ভাগ করা যায় ও কী কী

উদারনৈতিক গণতন্ত্র কয় ভাগে ভাগ করা যায় ও কী কী? সত্তর উদারনৈতিক গণতন্ত্রকে দুটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-সাবেকি বা সনাতন উদারনৈতিক গণতন্ত্র এবং আধুনিক উদারনৈতিক গণতন্ত্র। সাবেকি বা সনাতন উদারনৈতিক গণতন্ত্র: সাধারণভাবে উদারনৈতিক গণতন্ত্র বলতে সেই গণতন্ত্রকে বোঝায়, যা প্রধাণত বিশ্বের ধনতান্ত্রিক দেশগুলিতে স্বীকৃত হয়েছে। সর্বজনীন প্রাপ্তবয়স্কের ভোটাধিকার, সংখ্যাগরিষ্ঠের শাসন এবং দায়িত্বশীল শাসনব্যবস্থা, গণতন্ত্রের … Read more

উদারনৈতিক গণতন্ত্রের দুটি বৈশিষ্ট্য লেখো

উদারনৈতিক গণতন্ত্রের দুটি বৈশিষ্ট্য লেখো। উদারনৈতিক গণতন্ত্রের বৈশিষ্ট্যগুলি হল- রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সাম্য: উদারনৈতিক গণতন্ত্রে জনগণই হল রাজনৈতিক ক্ষমতার প্রধান উৎস। এখানে রাজনৈতিক সাম্যের উপর যথেষ্ট গুরুত্ব আরোপ করা হয়ে থাকে। বর্তমান রাষ্ট্র মূলত আয়তন ও আকৃতিতে বিশাল ও বিপুল। সার্বিক প্রাপ্তবয়স্কের ভোটাধিকারের মাধ্যমে এক ব্যক্তি এক ভোট-এই নীতির ভিত্তিতে নাগরিকদের ভোটদানের অধিকারকে স্বীকৃতি দেওয়া হয় … Read more

উদারনৈতিক গণতন্ত্র কাকে বলে? বর্তমানে কোথায় কোথায় উদারনৈতিক গণতন্ত্রস্ত্র লাক্ষ করা যায়

উদারনৈতিক গণতন্ত্র কাকে বলে? বর্তমানে কোথায় কোথায় উদারনৈতিক গণতন্ত্রস্ত্র লাক্ষ করা যায়? উদারনৈতিক গণতন্ত্র: উদারনৈতিক গণতন্ত্র বলতে এক বিশেষ রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে বোঝায়, যার মধ্যে উদারনৈতিক ভাবধারা, চিন্তা ও দর্শনের সমন্বয়সাধন ঘটে। গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে উদারনৈতিক ধ্যানধারণার বাস্তবায়ন ঘটানোই এই শাসনব্যবস্থার মূল লক্ষ্য। বিশ্বের প্রায় সকল ধনতান্ত্রিক দেশগুলিতেই উদারনৈতিক গণতন্ত্র স্বীকৃতি লাভ করেছে। আনুমানিক সপ্তাদশ শতাব্দীতে উদীয়মান … Read more

পরোক্ষ বা প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রের দুটি অসুবিধা লেখো

পরোক্ষ বা প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রের দুটি অসুবিধা লেখো। পরোক্ষ গণতন্ত্রের অসুবিধাগুলি হল- জনস্বার্থের বিরোধী: নির্বাচিত প্রতিনিধিরা তাদের নির্বাচকদের তুলনায় অনেক ক্ষেত্রে নিজেদের স্বার্থ বা বিশেষ কোনো গোষ্ঠীর স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতে পারে বলে মনে করা হয়। এর ফলে রাষ্ট্রীয় নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে যে সিদ্ধান্তগ্রহণ করা হবে, তা জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে প্রতিফলিত হতে পারে বলে অনেকে … Read more

পরোক্ষ বা প্রতিনিধিত্ব মূলক গণতন্ত্রের দুটি সুবিধা লেখো

পরোক্ষ বা প্রতিনিধিত্ব মূলক গণতন্ত্রের দুটি সুবিধা লেখো? পরোক্ষ গণতন্ত্রের দুটি সুবিধা হল- জনগণের শাসন: পরোক্ষ গণতন্ত্রে জনগণ কর্তৃক নির্বাচিত প্রতিনিধিগণ সরকারি কার্যাবলিতে অংশগ্রহণ করে এবং যাবতীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। জনগণের স্বার্থে জনগণের প্রতিনিধিরা যে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেন, প্রত্যক্ষ গণতন্ত্রের তুলনায় তা অনেকসময় অধিকতর কার্যকরী ও ফলপ্রদ হয়ে থাকে। স্বৈরাচার প্রতিরোধ: প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রে সরকার স্বৈরাচারী … Read more

পরোক্ষ বা প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্র সম্পর্কে জন স্টুয়ার্ট মিলের মত কী

পরোক্ষ বা প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্র সম্পর্কে জন স্টুয়ার্ট মিলের মত কী? পরোক্ষ গণতন্ত্র সম্পর্কে মিলের অভিমত: জন স্টুয়ার্ট মিল মনে করেন, পরোক্ষ বা প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্র হল এমন একটি শাসনব্যবস্থা, যেখানে সমাজের সকল জনগণ বা তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ নিজেদের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে শাসনক্ষমতা প্রয়োগ করে থাকে। অর্থাৎ, পরোক্ষ গণতন্ত্রে জনগণ পরোক্ষ পদ্ধতিতে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা শাসনকার্যে অংশগ্রহণ … Read more

পরোক্ষ বা প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রের বৈশিষ্ট্যসমূহ লেখো

পরোক্ষ বা প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রের বৈশিষ্ট্যসমূহ লেখো। পরোক্ষ বা প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রের বৈশিষ্ট্য হল-  জনসাধারণ শাসনকার্যে অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকে: পরোক্ষ গণতন্ত্রে সরকার পরিচালিত হয় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে, এর ফলে জনসাধারণ প্রত্যক্ষভাবে শাসন পরিচালনা করতে পারে না। তারা নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে পরোক্ষভাবে শাসনকার্যে অংশগ্রহণ করে। জনসাধারণের কাছে দায়িত্বশীল: পরোক্ষ গণতন্ত্রে জনপ্রতিনিধিরা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নির্বাচিত হয় এবং তারা … Read more

পরোক্ষ গণতন্ত্র কী ধরনের গণতন্ত্র এবং কেন

পরোক্ষ গণতন্ত্র কী ধরনের গণতন্ত্র এবং কেন? পরোক্ষ গণতন্ত্র হল প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্র। পরোক্ষ গণতন্ত্র হল এমন একটি শাসনব্যবস্থা, যেখানে জনসাধারণ প্রত্যক্ষভাবে শাসনকার্যে অংশগ্রহণ করে না। বরং জনগণ নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কিছু ব্যক্তিকে নির্বাচিত করে এবং সেই জনপ্রতিনিধিরাই দেশ শাসন করে। তাই পরোক্ষ গণতন্ত্রকে প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্র বলা হয়।

ভারতে প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি কী? পরোক্ষ গণতন্ত্রে সার্বভৌম ক্ষমতার প্রকৃত অধিকারী কারা

ভারতে প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি কী? পরোক্ষ গণতন্ত্রে সার্বভৌম ক্ষমতার প্রকৃত অধিকারী কারা? ভারতে প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি: ভারতে প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রের ভিত্তি হল-নির্বাচন, ভোটাধিকার ও প্রতিনিধিত্ব। সার্বভৌম ক্ষমতার প্রকৃত অধিকারী: পরোক্ষ গণতন্ত্রের সার্বভৌম ক্ষমতার প্রকৃত অধিকারী হল জনগণ।