বেথুন বিদ্যালয়ের সঙ্গে বিদ্যাসাগরের সম্পর্ক কী ছিল? কখন ঈশ্বরচন্দ্রের নামের শেষে বিদ্যাসাগর উপাধিচির ব্যবহার শুরু হয়? ঈশ্বরচন্দ্র সংস্কৃত কলেজ থেকে কী কী বিষয়ে কত টাকা স্কলারশিপ হিসেবে পেয়েছিলেন

বেথুন বিদ্যালয়ের সঙ্গে বিদ্যাসাগরের সম্পর্ক কী ছিল? কখন ঈশ্বরচন্দ্রের নামের শেষে বিদ্যাসাগর উপাধিচির ব্যবহার শুরু হয়? ঈশ্বরচন্দ্র সংস্কৃত কলেজ থেকে কী কী বিষয়ে কত টাকা স্কলারশিপ হিসেবে পেয়েছিলেন

বেথুন বিদ্যালয়ের সঙ্গে বিদ্যাসাগরের সম্পর্ক কী ছিল? কখন ঈশ্বরচন্দ্রের নামের শেষে বিদ্যাসাগর উপাধিচির ব্যবহার শুরু হয়? ঈশ্বরচন্দ্র সংস্কৃত কলেজ থেকে কী কী বিষয়ে কত টাকা স্কলারশিপ হিসেবে পেয়েছিলেন
বেথুন বিদ্যালয়ের সঙ্গে বিদ্যাসাগরের সম্পর্ক কী ছিল? কখন ঈশ্বরচন্দ্রের নামের শেষে বিদ্যাসাগর উপাধিচির ব্যবহার শুরু হয়? ঈশ্বরচন্দ্র সংস্কৃত কলেজ থেকে কী কী বিষয়ে কত টাকা স্কলারশিপ হিসেবে পেয়েছিলেন

1849 খ্রিস্টাব্দে বেথুন সাহেব যখন শিক্ষা পরিষদের সভাপতি ছিলেন, তখন বিদ্যাসাগর মহাশয় বেথুন সাহেবের সহকর্মী হিসেবে কাজ করতেন। 1849 খ্রিস্টাব্দে বেথুন সাহেব তার বাঙালি নেতাদের সাহায্যে মেয়েদের শিক্ষার জন্য একটি অবৈতনিক বিদ্যালয় তৈরি করেন। তাঁর নাম অনুসারে বিদ্যালয়ের নাম হয় বেথুন বিদ্যালয়। বেথুন সাহেবের অনুরোধে বিদ্যাসাগর সেই স্কুলের দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং বালিকা বিদ্যালয়ে অবৈতনিক সম্পাদকের পদ গ্রহণ করেন। বেথুন সাহেব তার স্কুল সম্বন্ধে নিশ্চিত হলেন, কেননা প্রতিষ্ঠানটি এমন একজন ব্যক্তির হাতে ন্যাস্ত হল, যার সততা নিয়ে কোনো প্রশ্ন ওঠেনা। বিদ্যাসাগর সম্পাদক হওয়ার পর তিনি বন্ধু-বান্ধব ও পরিচিত ভদ্রলোকেদের বেথুন স্কুলে নিজ নিজ কন্যাদের পড়ানোর জন্য বিদ্যালয়ে নিয়ে আসার অনুরোধ করেন। তার অনুরোধের ফলে পণ্ডিত তারানাথ বাচস্পতি, শম্ভুনাথ পণ্ডিত, হরদেব চট্টোপাধ্যায় প্রভৃতি অভিজাত ব্যক্তিগণের কন্যাদের বিদ্যালয়ে ভরতি করেন। বিদ্যাসাগরের নির্দেশ অনুসারে বেথুন স্কুলের গাড়ির দুই পার্শ্বে লেখা থাকত “কন্যাপ্যেবং পালনীয়া শিক্ষানীয়তি যত্নতঃ” (পুত্রের মত যত্ন করে কন্যাকেও পালন করতে হবে, শিক্ষা দিতে হবে) বিদ্যাসাগর বেথুন বিদ্যালয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করার পর বিদ্যালয়ে ছাত্রী সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছিল।

1838 খ্রিস্টাব্দে ঈশ্বরচন্দ্র বেদান্ত পাঠসমাপ্ত করেন। 1839 খ্রিস্টাব্দের এপ্রিল মাসে হিন্দু ল কমিটির পরীক্ষা দেন ঈশ্বরচন্দ্র। এই পরীক্ষাতেও যথারীতি কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়ে, ল কমিটির কাছ থেকে যে প্রশংসাপত্রটি পান, তাতেই প্রথম তাঁর নামের সঙ্গে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধিটি ব্যবহৃত হয়। এরপর তিনি কৃতিত্বের সঙ্গে ‘ন্যায় শ্রেণি’ ও ‘জ্যোতিষ শ্রেণিতে’ শিক্ষালাভ করেন।

সংস্কৃত কলেজ থেকে প্রাপ্ত স্কলারশিপ

1840-1841 খ্রিস্টাব্দে ঈশ্বরচন্দ্র ‘ন্যায় শ্রেণিতে’ পাঠ করেন। এই শ্রেণিতে দ্বিতীয় বার্ষিক পরীক্ষায় একাধিক বিষয়ে তিনি পারিতোষিক পান। ন্যায় পরীক্ষায় প্রথম স্থান অর্জন করে 100 টাকা, পদ্য রচনার জন্য 100 টাকা, দেবনাগরী হস্তাক্ষরের জন্য ৪ টাকা ও বাংলায় কোম্পানির রেগুলেশন বিষয়ক পরীক্ষায় 25 টাকা, সর্বসাকুল্যে 233 টাকা পারিতোষিক পেয়েছিলেন।

আরও পড়ুন – মধ্যযুগীয় ভারতের শিক্ষা প্রশ্ন উত্তর

আরও পড়ুন প্রয়োজনে
শিক্ষাক্ষেত্রে প্রাচীন অনুবর্তনের গুরুত্ব লেখো | Importance of ancient tradition in education (Class 11 Exclusive Answer) Click here
রাজা রামমোহন রায়ের শিক্ষা ও সমাজ সংস্কার আলোচনা করো | Education and Social Reforms of Raja Rammohan Roy Click here
মক্তব এবং মাদ্রাসার শিক্ষাদান পদ্ধতি | Teaching methods of Maktabs and Madrasas (Class 11 Exclusive Answer) Click here
ব্রাহ্মণ্য যুগের শিক্ষার বৈশিষ্ট্য গুলি লেখো ( Exclusive Answer) Click here

Leave a Comment