রামমোহন রায় বিদেশের বিশেষত ইউরোপের ঘটনাবলি সম্পর্কে কীভাবে অবহিত হতেন? রামমোহন রায় ফারসি ভাষায় কী কী গ্রন্থ রচনা করেছিলেন

রামমোহন রায় বিদেশের বিশেষত ইউরোপের ঘটনাবলি সম্পর্কে কীভাবে অবহিত হতেন? রামমোহন রায় ফারসি ভাষায় কী কী গ্রন্থ রচনা করেছিলেন

রামমোহন রায় বিদেশের বিশেষত ইউরোপের ঘটনাবলি সম্পর্কে কীভাবে অবহিত হতেন? রামমোহন রায় ফারসি ভাষায় কী কী গ্রন্থ রচনা করেছিলেন
রামমোহন রায় বিদেশের বিশেষত ইউরোপের ঘটনাবলি সম্পর্কে কীভাবে অবহিত হতেন? রামমোহন রায় ফারসি ভাষায় কী কী গ্রন্থ রচনা করেছিলেন

রামমোহন রায় ভারতের বিভিন্ন স্থানে ইস্ট ইন্ডিয়ার অধীনে কাজ করেন। এরপর তিনি ডিগবী সাহেবের খাস মুন্সির কাজ করতেন। এজন্য লোকে তাঁকে ডিগবী সাহেবের দেওয়ান বলত। ডিগবী সাহেব রামমোহনকে অত্যন্ত পছন্দ করতেন, তাই তিনি যেখানেই বদলি হতেন রামমোহনকে সঙ্গে করে নিয়ে যেতেন। পরবর্তীকালে ডিগবী সাহেব তাঁকে ইংরেজি ভাষা শিখতে সাহায্য করেন। বিলেত থেকে আসা ইংরেজি পত্রিকাগুলি রামমোহনকে তিনি পড়ার জন্য দিতেন। এইসকল পত্রিকার মাধ্যমেই রামমোহন ইউরোপের রাষ্ট্রনীতি সম্পর্কে জানতে পারেন। এ ছাড়াও ফ্রান্সের রাজনৈতিক ঘটনাবলি, বিশেষত নেপোলিয়নের অভ্যুত্থান ও বীরত্ব রামমোহনকে বিশেষভাবে আকর্ষণ করত।

রামমোহন রায় রচিত ফারসি ভাষায় গ্রন্থসমূহ 

1803 খ্রিস্টাব্দে পিতা রামকান্ত রায়ের মৃত্যুর পর রামমোহন রায় মুরশিদাবাদে অবস্থান করেন এবং তাঁর প্রথম গ্রন্থ ‘তুহুফৎ-উল-মুয়াহিদ্দিন’ ফারসি ভাষায় প্রকাশ করেন। ‘তুহুফৎ-উল-মুয়াহিদ্দিন’-এর অর্থ ‘একেশ্বরবাদীদের প্রতি উপহার’। বইটির ভূমিকা আরবি ভাষায় লেখা। বইটিতে তিনি অনেক আরবি নৈয়ায়িক ও দার্শনিক মতের অবতারণা করেন। রামমোহন রচিত আরেকটি ফারসি ভাষায় লেখা গ্রন্থ ‘মানজারাত-উল-আদিয়ান বা বিভিন্ন ধর্মসম্বন্ধীয় আলোচনা।

আরও পড়ুন – মধ্যযুগীয় ভারতের শিক্ষা প্রশ্ন উত্তর

আরও পড়ুন প্রয়োজনে
শিক্ষাক্ষেত্রে প্রাচীন অনুবর্তনের গুরুত্ব লেখো | Importance of ancient tradition in education (Class 11 Exclusive Answer) Click here
রাজা রামমোহন রায়ের শিক্ষা ও সমাজ সংস্কার আলোচনা করো | Education and Social Reforms of Raja Rammohan Roy Click here
মক্তব এবং মাদ্রাসার শিক্ষাদান পদ্ধতি | Teaching methods of Maktabs and Madrasas (Class 11 Exclusive Answer) Click here
ব্রাহ্মণ্য যুগের শিক্ষার বৈশিষ্ট্য গুলি লেখো ( Exclusive Answer) Click here

Leave a Comment